স্বপ্নের মেডিকেলে চান্স পাওয়ার সবকিছু 

এক কোর্সেই!

মাত্র ২ মাসেই মেডিকেল এডমিশনের গোছানো প্রস্তুতি শেষ করো দেশের বেস্ট অনলাইন কোর্স মিশন ডিএমসি’র সাথে!
তীব্র কম্পিটিশন এর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র অনলাইন বা অফলাইন যেকোনো একটা কোর্স সবসময় যথেষ্ট নয়।

তুমি ADMISSIONX অথবা অন্য যেকোনো নামকরা কোচিং এ ভর্তি হতে পারো, বেস্ট সব লেকচার বা এক্সাম পেতে পারো , কিন্তু মেডিকেলের মত এত কঠিন একটা প্রতিযোগীতামুলক পরীক্ষায়- যেখানে তোমার বন্ধু পর্যন্ত তোমাকে ছাড় দিবে না, সেই পরীক্ষাটা জয় করার জন্য, তোমার শুধুমাত্র ক্লাস বা এক্সাম এর চেয়েও আরো বেশি কিছু দরকার, সেটা হল পার্সোনাল সাপোর্ট!

কেন?

কারণ একটা কোর্স যতই ভালো হোক না কেন, আল্টিমেটলি সেটা তোমার নিজেকেই কষ্ট করে শেষ করতে হবে। কোর্স করার সময়ে যত নতুন নতুন প্রব্লেম তুমি প্রতিটা সাবজেক্টে, প্রতিটা চ্যাপ্টারে ফেস করবে, সেগুলো সলভ করার জন্য কিন্তু তোমাকে কেউ হেল্প করবে না।

ভেবে দেখো,

দেড় লক্ষ স্টুডেন্ট পরীক্ষা দিবে, তোমার মত তারাও কোনো না কোনো কোচিং এ ভর্তি হবে, তারাও সেইম লেকচার এক্সাম পাবে। কিন্তু ৯৫% স্টুডেন্ট কোর্স/কোচিং শুরু করার এক মাসের মধ্যেই হাল ছেড়ে দিবে- কারন? এত বিশাল সিলেবাস আর তীব্রগতির পড়াশোনার তাল মেলাতে না পেরে। এইচ এস সি তে যে সিলেবাস ২ বছরে ঠিকমত শেষ হয় নাই, সেই সিলেবাস+ এক্সট্রা অনেকগুলো চ্যাপ্টার তোমাকে প্রতিটা লাইন জানতে হবে মাত্র ২ মাসে! তাহলে যারা চান্স পায় অথবা আরো বেটার, মেডিকেলে টপ করে, তারা কিভাবে করে?

চিন্তা করো-

আমি তোমাকে মেডিকেল এডমিশনের জন্য কয়েকশ ডিটেইলস ক্লাস নিতে পারি

 

শত শত স্ট্যান্ডার্ড এক্সাম নিতে পারি

 

আমাদের চ্যাপ্টারওয়াইজ সাজানো সব নোট তোমাকে দিয়ে দিতে পারি

 

হাজার হাজার প্রশ্নের প্র্যাক্টিসবুক দিতে পারি

কিন্তু আমি যদি জাস্ট এই জিনিসগুলো তোমাকে দিই, শুধুমাত্র এর মাধ্যমে আমি তোমাকে স্বপ্নের মেডিকেলে পৌঁছে দিতে পারব না। কারণ –

ঠিক এভাবেই, জাস্ট শুরু করার কিছুদিন পরেই শত শত মেডিকেল স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটে।

কিন্তু চিন্তা করে দেখো, যদি একটা বেস্ট কোর্সের পাশাপাশি তোমার একজন পার্সোনাল বড় ভাই বা বোনের মত একজন মেন্টর থাকত, যে কিনা ঠিক তোমার মত অবস্থান থেকেই স্বপ্নের মেডিকেল ডিএমসি তে চান্স পেয়েছে এবং এই অভিজ্ঞ মানুষটাই –

তোমার প্রতিদিনের পড়াশোনার প্রতিটা স্টেপে তোমার হেল্প করতো

 

তোমাকে ডিএমসি তে চান্স পাওয়ার মত করে তৈরি করত

 

হতাশা লাগলে মোটিভেট করত

 

প্রতিদিনের পড়ার রুটিন বানিয়ে দিত এবং তোমাকে রিমাইন্ডার দিত

 

তোমার প্রতিদিনের এক্সামে করা ভুলগুলো তোমার সাথে আলোচনা করে ঠিক করে দিত

তাহলে কেমন হত?

আমি শিওর, তোমার অতটুকু মেধা আছে, যে এই সাপোর্টটা পেলে ডিএমসি ক্র্যাক করা তোমার জন্য অনেক ইজি হয়ে যেত। তুমি ভয়ে ভয়ে নয়, কনফিডেন্স নিয়ে ২ মাস পরে পরীক্ষার হলে ঢুকতে পারতে এবং বের হয়ে বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে একটা বিজয়ের হাসি দিতে। সত্যিই তো, মেডিকেল রেজাল্টের দিন বাবা মায়ের মুখে দেখা হাসির চেয়ে দামী বোধহয় এই পৃথিবীতে কিছু নেই!


Hello, আমি তৌফিক পিকন। আর অন্য ছবিটায় সুস্মিতা বিশ্বাস। আমরা বিগত অর্ধযুগ ধরে মেডিকেল স্বপ্নবাজদের গাইড করে আসছি তাদের স্বপ্নের মেডিকেলে পৌছে দেওয়ার জন্য। সুস্মিতা সেকেন্ড টাইম মেডিকেল দেওয়ার সময় ৭.৫ মার্ক কাটা যায়, এরপরেও ন্যাশনাল টপ করার মত মার্ক পেয়ে দেশের ২য় সেরা মেডিকেল স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলে চান্স পায়। ইউটিউবে হাজার হাজার মেডিকেল এসপিরেন্ট প্রতিনিয়ত সুস্মিতার ক্লাস ও  কনটেন্ট ফলো করে। 

আমি নিজে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দিই ২০১৭ সালে, যখন আমি কিছুই জানতাম না। মফস্বল থেকে আসা ছেলে হয়ে ঢাকা শহরে নটরডেমে কলেজে খাপ খাইয়ে নিতেই দুটো বছর চলে যায়। কিন্তু বাবা মা আর নিজের স্বপ্নটাকে বিসর্জন দিতে পারি নাই।

ভর্তি পরীক্ষার সময় নটরডেমের সবার বুয়েটের স্রোতের বিপরীতে গিয়ে শুধুমাত্র মেডিকেল প্রিপারেশনই নিয়েছিলাম, সবাই বলেছিলো অনেক রিস্ক হয়ে যাবে। কিন্তু আমি ভাবতাম, যদি আমি সঠিক স্ট্রাটেজি ফলো করি, কেন আমি চান্স পাব না? এবং সঠিক স্ট্রাটেজি ফলো করার কারনেই আমি মাত্র ২ মাস প্রিপারেশন নিয়েই দেশের টপ মেডিকেল ক্র্যাক করতে সক্ষম হই।
কিন্তু গত ছয় বছর ধরে বিভিন্ন নামকরা কোচিং সেন্টার আর ব্যক্তিগত ভাবে অসংখ্য স্টুডেন্ট পড়িয়ে আমি দেখেছি, মেডিকেল পরীক্ষাটা ভুল স্ট্রাটেজির কারণে একজনের জন্য যেরকম খুব কঠিন হতে পারে, আবার সঠিক ফর্মুলাতে ঠিক ততটাই সহজ হতে পারে। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে তোমাকে বলতে পারি, টপ মেডিকেল ক্র্যাক করার জন্য তোমার মাত্র ৩ টা জিনিষ প্রয়োজন-

প্রথমে একটা SOLID প্ল্যান

BEST স্টাডি রিসোর্স এবং অবশ্যই একজন

পার্সোনাল মেন্টর

তুমি যদি এই ৩ টা জিনিসের একটা দারুন কম্বিনেশন এ প্রিপারেশন নিতে পারো, তোমার ডিএমসি ক্র্যাক করার জন্য ফটোগ্রাফিক মেমোরি বা প্রশ্ন কেনার(!) প্রয়োজন হবে না। তুমিও আমার মত মাত্র ২২ মিনিটে মেডিকেল এক্সাম দিয়ে টপ মেডিকেল ক্র্যাক করতে পারবা (তাড়াহুড়ার জন্য ০.২৫ এ ডিএমসি মিস করে ফেলেছি haha)

 

কিন্তু সমস্যা হল আমাদের দেশের যতগুলো অনলাইন/অফলাইন কোচিং চালু আছে, তারা সবাই শুধুমাত্র ক্লাস বা এক্সাম এই বেশি ফোকাস করতে গিয়ে চান্স পাওয়ার দুইটা গুরুত্বপূর্ন স্টেপ ভুলে যায় – স্টুডেন্ট এর ক্যাপাসিটি অনুযায়ী প্ল্যানিং আর পার্সোনালি গাইড করে তাকে কোর্সটা সুন্দরভাবে শেষ করানো এবং প্রব্লেম সলভ করে দেওয়া।

 

তাই এতদিনের অভিজ্ঞতা আর তোমাদের মত স্বপ্নবাজদের জন্য কিছু করার তীব্র ইচ্ছা থেকে গত দুই বছরের প্রচেষ্টায় তৈরি করা –

মিশন ডিএমসি ৪.০
এটা সাধারণ কোনো অনলাইন বা অফলাইন কোর্স নয়। এটা টপ মেডিকেল ক্র্যাক করার জন্য কমপ্লিট একটা প্রস্তুতি প্রোগ্রাম। ৮০+ মার্ক তোলার সমস্ত রিসোর্স দিয়ে সাজানো টপ ক্লাস একটা টুলবক্স। তোমার সামান্য চেষ্টা থাকলে, এই একটা টুলবক্স দিয়েই তোমার স্বপ্নের মেডিকেল নিশ্চিত করার সমস্ত দরজার তালা খুলতে পারবে, সাদা এপ্রন গায়ে জড়াতে পারবে- তাও সবার চেয়ে অর্ধেক পরিশ্রমে! কারন এই কোর্সে আছে ৩ টা অংশ-

#১

পার্সোনাল প্ল্যানিং

একটা প্রোপার প্ল্যান ছাড়া কোনো যুদ্ধেই জয় সম্ভব না। মেডিকেল এডমিশন জয় করার তো প্রশ্নই আসে না। তাই –

প্রথমে আমরা তোমাকে নিয়ে বসব এবং তোমার ড্রিম আর টার্গেট অনুযায়ী ২ মাসের একটা প্ল্যান সেট করব।

 

তোমার নিজস্ব পড়ার স্টাইল অনুযায়ী ২ মাসের একটা স্টাডি রুটিন করে দিব।

 

প্রতিদিনের পড়াশোনাকে ফ্লো তে রাখার জন্য চেকলিস্ট করে দিবো

 

মেডিকেল এডমিশনের স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন এর সিক্রেট PDF বই দিবো।

 

প্রিপারেশনের জন্য তোমার যত ধরনের বই, সহায়ক বই লাগবে সবকিছু একটা লিস্ট দিবো।

 

তোমার প্রিপারেশন অনুযায়ী মেডিকেল ছাড়াও একটা ব্যাকাপ প্ল্যান তৈরি করে দিবো।

#২

টপ ক্লাস লেকচার | এক্সাম | স্টাডি ম্যাটেরিয়াল

এরপরে তুমি প্রস্তুতি শুরু করবে দেশের টপ ৩ জন ইন্সট্রাকটর এর লেকচার এর সাথে।

১০০+ প্রিমিয়াম লাইভ লেকচারগুলো

আমাদের বহুদিনের অভিজ্ঞতা আর আধুনিক টেকনোলজি, দুইয়ের সমন্বয়ে এখন পর্যন্ত অনলাইন জগতে অনন্য, এটা তুমি প্রথম লেকচারেই বুঝতে পারবে!

 

লেকচার গুলো লাইভ এবং রেকর্ডেড দুই ফরম্যাটেই করতে পারবে। ফেসবুক গ্রুপ কিংবা আমাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (কমপ্লিটলি ডিস্ট্র্যাকশন ফ্রি! )

 

আমাদের লেকচারে যেই জিনিসটা নিয়ে আমরা সবসময় প্রাউড ফিল করি, সেটা হল আমরা ক্লাসে গতবাধা না পড়িয়ে, বইয়ের প্রতিটা গুরত্বপূর্ন লাইন ক্লাসেই সবাইকে মুখস্ত করিয়ে দিই, যাতে তুমি বাসায় পড়তে বসলে, খুব ইজিলি অল্প সময়ের মধ্যে সব পড়ে ফেলতে পারো।

 

এক ক্লাসে ৩ চ্যাপটার না, বরং ২-৩ ক্লাসে এক চ্যাপটার ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়ানোর কারণে আমাদের আগের স্টুডেন্টরা সবসময়ই আমাদের এই স্টাইলটাকে অনেক পছন্দ করে!

 

চ্যাপ্টারওয়াইজ মেডিকেল স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্নে এক্সাম

 

লেকচারের পড়াটাকে স্থায়ী করতে আর তোমার পড়ার গ্যাপ খুজে বের করতে প্রতিটি চ্যাপটার অনুযায়ী এক্সাম হবে। প্রশ্নগুলো আমরা মেডিকেলের হাইয়েস্ট স্ট্যান্ডার্ড মেইন্টেইন করেছি যাতে আসল পরীক্ষার হলে প্রতিটি প্রশ্ন তোমার পরিচিত লাগে।

 

রিভিশন স্টাডি নোট

 

প্রতিটা চ্যাপ্টারের ওপর থাকবে একটা গোছানো রিভিশন স্টাডি নোট, যা তোমার রিভিশনকে দারুন সহজ করবে। পরীক্ষার আগে যখন রিভিশন নিয়ে সবাই হতাশায় ভোগে,  আমাদের স্টুডেন্টরা পরীক্ষার আগে একটা চ্যাপটার মাত্র ১৫-২০ মিনিটে রিভিশন করতে পেরেছে শুধুমাত্র এই স্পেশাল রিভিশন নোটগুলোর কারণে।

 

ডেডিকেটেড GKE টপিকভিত্তিক কোর্স

 

টপ মেডিকেল ক্র্যাক করতে হলে বায়োলজির চেয়ে বেশি ইম্পরট্যান্ট হল জিকেই। কারন বায়োলজি সবাই বেশি পড়লেও, এই দুই সাবজেক্টে অবহেলার কারণে অসংখ্য স্টুডেন্ট মেধা থাকা সত্বেও অল্পের জন্য স্বপ্নকে ছুতে পারে না। তাই সাধারনজ্ঞান আর ইংরেজি এর পুর্ন প্রস্তুতির জন্য থাকবে আলাদা ৬০ টি টপিকভিত্তিক ক্লাস, যেখানে এই দুই সাবজেক্টের প্রতিটা ইম্পরট্যান্ট টপিক আর সম্ভাব্য সব প্রশ্ন গুছিয়ে শেষ করে দেওয়া হবে।


প্রশ্নব্যাংকযুক্ত দাগানো বই


তোমাদের সময় বাঁচানোর জন্য তোমাদেরকে দেওয়া হবে ADMISSIONX এর স্পেশাল সংযোজন প্রশ্নব্যাংকযুক্ত দাগানো বই’ পিডিএফ। এই বইগুলোতে প্রতিটা ইম্পরট্যান্ট টপিক, লাইন গুরুত্ব অনুসারে হাইলাইট করা আছে। সাথে যেটা অনন্য সেটা হল, এই বইয়ের মধ্যে বিগত ১০ বছরের মেডিকেলে আসা প্রশ্ন আলাদা ভাবে লিখে এবং মার্ক করে দেওয়া আছে। তোমার আলাদা করে কোনো প্রশ্নব্যাংক কেনার বা পড়ার প্রয়োজন তো হবেই না, বরং প্রতিটা টপিক এর সাথেই ওই টপিকের মেডিকেল প্রশ্নগুলো ও প্র্যাক্টিস হয়ে যাবে একবারেই।

#৩

ডিএমসিয়ান পার্সোনাল মেন্টর

এডমিশন জার্নিতে শুরুর দিকে আমার যখন অনেক দিশেহারা লাগত আমি তখন পার্সোনাল একজন মেন্টর এর অভাব বোধ করি। আমার পরিবারে এর আগে কেউ মেডিকেল পেশায় ছিল না, তাই স্বভাবতই আমাকে গাইড করার কেউ ছিল না। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমি নিজের মত করে প্রিপারেশন নিলে যেকোনো একটা সরকারী মেডিকেলে হয়ত চান্স পাব, কিন্তু টপ মেডিকেল ক্র্যাক করতে হলে, আমার এমন কারো সংস্পর্শে সবসময় থাকতে হবে, যে নিজে ওই পজিশনে আছে। এই জন্যে তখন মাসে ২০,০০০ হাজার টাকা বেতনে আমার জন্য একজন ডিএমসিয়ান ভাইয়া ঠিক করা হয়। আমার পরিবারের তখন আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলেও, তারা ওই মুহুর্তে আমার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পেরেছিলো। এবং আজ পর্যন্ত আমার জীবনের সেরা ইভেস্টমেন্ট ৩ মাসের ওই ৬০,০০০ টাকা।

 

 

আমি জানি সব স্টুডেন্ট এর পক্ষে ৬০-৭০ হাজার টাকা খরচ করে একজন টপ মেডিকেলের ভাইয়ার কাছে পড়া সম্ভব না, আর এ কারনেই আমি তখন চিন্তা করি যদি আমার একদিন সুযোগ আসে, আমি সবার জন্য এই পার্সোনাল মেন্টরশিপ টাকে হাতের মুঠোয় এনে দিতে চাই। যাতে কোনো সম্ভাবনাময় স্টুডেন্ট টাকার অভাবে তার স্বপ্ন পুরন থেকে বঞ্চিত না হয়। একদিন টাকা সবার হবে, কিন্তু তখন আর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করার সুযোগ থাকবে না।

 

 

তাই এটা এই কোর্সের সবচেয়ে অনবদ্য এবং সবচেয়ে ইউনিক ফিচার যা তোমাকে দেড় লক্ষ স্টুডেন্টের এই পরীক্ষায় অন্যদের থেকে এগিয়ে থেকে রেসটা শেষ করতে হেল্প করবে। পার্সোনাল মেন্টর হবে তোমাকে স্বপ্নের মেডিকেলে পৌছে দেওয়ার যুদ্ধের প্রতিদিনের সংগী। তার সমস্ত অভিজ্ঞতা, টেকনিক, পার্সোনাল স্ট্রাটেজি সহ তার একটাই টার্গেট হবে, যাতে তুমি টপ মেডিকেল ক্র্যাক করতে পারো! এজন্য তুমি পাবে-

 

One-to-One পার্সোনাল টিউশন সেশন

 

এই সেশনগুলোতে তোমার পড়াশোনা রিলেটেড যেকোনো প্রব্লেম সলভ করে নিতে পারবে ডিএমসিয়ান ভাইয়া/আপুর কাছে থেকে-একেবারে হোম টিউটরের মত

 

এক্সাম পারফরম্যান্স এনালিসিস এবং সলভ সেশন


এই সেশনে তোমার দেওয়া প্রতিটা এক্সামের ভুল এনালিসিস করে তোমার পড়াশোনার গ্যাপ খুজে বের করে সলভ করে দেওয়া হবে

 
গ্রুপ কুইজিং
 
এই সেশনগুলোতে কোর্সে থাকা সব স্টুডেন্ট দের সাথে তুমি গ্রুপ কুইজে পার্টিসিপেট করতে পারবে আর মজায় মজায় অনেক পড়া এগিয়ে নিতে পারবে (আমাদের পুর্বের বছরের স্টুডেন্টরা এই সেশনের জন্য প্রতি সপ্তাহে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকত

 

মোটিভেশন সেশন 

 

প্রটি সপ্তাহে তোমার মেন্টর ছাড়াও, দেশের টপ মেডিকেল কলেজ গুলোতে পড়া সব ভাইয়া আপুরা তোমাদের ইন্সপায়ার করার জন্য আলাদা সেশন নিবেন।

 
আমি বিশ্বাস করি, এই সবকিছু তোমার জন্য শুধুমাত্র যথেষ্ট নয়, যথেষ্ট এর চেয়েও অনেক বেশি। আমরা তোমার প্রিপারেশনে সামান্যতম কোনো গ্যাপ রাখতে চাই না। আমরা চাই আমাদের প্রতিটা স্টুডেন্ট ১০০% কনফিডেন্স নিয়ে পরীক্ষার হলে ঢুকবে আর বিজয়ের হাসি নিয়ে বেরিয়ে আসবে। তার জন্যে যা কিছু করা দরকার, সেক্ষেত্রে এক চুল ছাড় দিতে আমরা রাজি নই।

আমাদের আগের স্টুডেন্টরা মিশন ডিএমসি নিয়ে কি বলে-

ও ওয়েট !  বোনাস এর কথা ভুলেই গিয়েছিলাম!

 

যেহেতু এটা আমাদের ড্রিম প্রজেক্ট এবং হোপফুলি এই বছর আমরা ডাক্তার হিসেবে বের হচ্ছি, তোমাদের সবার জন্য কয়েকটা স্পেশাল বোনাস দিতে চাই-

 

মিশন ডিএমসি তে এনরোল করলে তুমি বোনাস পাচ্ছো –

৩৩৫+ মেডিমাস্ট টপিক এর লিস্ট ও রিভিউ ক্লাস

বিগত ১০ বছরে মাত্র ৩৩৫ টা টপিক থেকে মেডিকেলে সব প্রশ্ন এসেছে। আমি নিজে যখন প্রিপারেশন নিয়েছিলাম, তখন এই লিস্টটা আমি বানাই এবং মাত্র দুইবার এইটা এডিট করে অল্প কিছু টপিক যোগ করতে হয়েছে। এই অমূল্য রত্ন টা আমি তোমাদের ফ্রিতে দিতে চাই। সাথে শুধুমাত্র এই টপিকগুলোর ওপর নেওয়া ২০ টা রিভিউ ক্লাস ও পাবে একই সাথে।

২,৫০০ স্পেশাল প্রশ্ন ফর টপারস

বিভিন্ন মুলবই আর অতিরিক্ত বই থেকে বাছাই করা ২৫০০ স্পেশাল প্রশ্ন এর একটা বই পাবে। WARNING! এই প্রশ্নগুলো সবার জন্য না, কিন্তু যারা সলভ করে যাবে, You may become the national topper!

অনুশীলনীর প্রশ্নে স্পেশাল মডেল টেস্ট

আনলিমিটেড অনলাইন প্র্যাক্টিস এক্সাম 

আমাদের বিগত ২ বছরে নেওয়া সব ক্লাসের রেকর্ডেড ভার্সন

১০ সেট OMR

অফলাইন মডেল টেস্ট প্রশ্ন

মেডিকেল পরীক্ষার আদলে ফাইনাল মডেল টেস্ট

টি-শার্ট

SSMC তে কফির দাওয়াত!

১০০% স্যাটিসফ্যাকশন গ্যারান্টি!

বাংলাদেশে কোচিং জগতে কেউ সম্ভবত এত বড় সাহস করবে না। তবে আমরা আমাদের কোর্সের বিষয়ে কনফিডেন্ট! আমরা জানি আমরা আমাদের স্টুডেন্টদের জন্য সর্বোচ্চ দিই। তাই এই কোর্সে এনরোল করার পরে এবং প্রতিটি ক্লাস করে এবং পরীক্ষা দিয়ে এবং মেন্টরের সাপোর্টে থেকেও , তুমি যদি মনে করো যে এই কোর্স থেকে তুমি উপকৃত হচ্ছো না, তুমি খুব সহজেই রিফান্ড নিয়ে নিতে পারো! কারন আমরা প্রতিটি স্টুডেন্ট এর জন্য শুধুমাত্র বেস্ট রেজাল্টটাই চাই। সেটা তুমি যেখানে থেকেই পাও না কেন!

কোর্সের ফি!

কোর্সের ফি বলার আগে একটু কনটেক্সট দিই তোমাকে। এই মুহুর্তে কোনো এডমিশন স্টুডেন্ট যদি আমার অথবা সুস্মিতার কাছে বাসায় পড়তে চায়, আমরা সাধারনত মাসে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিয়ে থাকি সপ্তাহে ৩ দিন পড়ানোর জন্য। ২ মাসে ২৪ দিনের জন্য ৫০-৬০ হাজার টাকার কাছাকাছি, তাও শুধুমাত্র ২ ঘন্টা পড়ানোর জন্য। এই কোর্সে তুমি যা যা পাবে তার ৫% ও না, কিন্তু সেটার জন্যই অনেক অভিভাবক প্রতিদিনই ফোন করেন, তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। আমরা এখন না করে দিই শুধুমাত্র আমাদের ড্রিম প্রজেক্ট এই মিশন ডিএমসি কোর্সের স্টুডেন্টদের পিছনে সময় দিব বলে।

 

এই কোর্সের শুধুমাত্র লেকচার ম্যাটেরিয়াল, রিভিশন নোট, দাগানো বই, এক্সাম সিস্টেম এগুলো তৈরি করতে আর তোমাদের জন্য ডিস্ট্র্যাকশন ফ্রি ওয়েবসাইট বানাতে আর মেইন্টেইন করতে আমাদের প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হয়। এর সাথে প্রতিটা স্টুডেন্ট এর জন্য পার্সোনাল মেন্টর! বুঝতেই পারছো, এই একটা কোর্স এর পেছনেই আমাদের সমস্ত সময় আর এফোর্ট ব্যয় করি শুধুমাত্র এই কোর্সটাকে যাতে দেশের বেস্ট অনলাইন কোর্স বানানো যায়।

মিশন ডিএমসি ৪.০

২৫,০০০/-

১৪,৯০০

  • মেডিকেল স্টেপ বাই স্টেপ প্ল্যানিং সেশন
  • স্টেপ বাই স্টেপ চেকলিস্ট এবং পিডিএফ
  • মেডিকেল প্রিপারেশন বুক লিস্ট
  • এডমিশন ব্যাকাপ প্রিপারেশন প্ল্যান
  • ১০০+ প্রিমিয়াম লাইভ ক্লাস with টপ ইন্সট্রাকটর
  • ১০০+ এক্সাম ও সলভ শিট
  • চ্যাপটারওয়াইজ ৫৫ টি স্পেশাল রিভিশন স্টাডি নোট
  • প্রশ্নব্যাংকযুক্ত দাগানো বইয়ের পিডিএফ
  • One-to-One পার্সোনাল টিউশন সেশন
  • এক্সাম এনালিসিস ও ফিডব্যাক সেশন
  • গ্রুপ কুইজিং সেশন
  • মোটিভেশন সেশন with মেডিকেল টপারস

বোনাস

ক্লাস শুরু ৫ অক্টোবর

বোনাস ম্যাটেরিয়ালস পেতে ভর্তি হও ৫ অক্টোবরের আগে
এই কোর্সটা তোমার লাইফে করা বেস্ট ইনভেস্টমেন্ট হবে এতটুকু গ্যারান্টি দিতে পারি। আমাদের তরফ থেকে কোয়ালিটিতে সামান্যতম কোনো কম্প্রোমাইজ আমরা করি নাই। এখন তোমার পালা! এই বেস্ট রিসোর্স এবং সাপোর্ট সিস্টেমটাকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেওয়াটা এখন তোমার হাতে!

দেখা হবে বিজয়ে!

মিশন ডিএমসি ৪.০
কোর্স সম্পর্কিত যেকোনো জিজ্ঞাসায় হটলাইন